জামিয়ার বার্ষিক পরীক্ষা

ইনশাআল্লাহ! আগামি ২রা জুন’১৪ সোমবার থেকে বেফাকভুক্ত ছাত্রদের ও ৩ জুন’১৪ মঙ্গলবার থেকে মাদরাসার বার্ষিক পরীক্ষা শুরু হয়ে ১২ জুন’১৪ বৃহস্পতিবার পরীক্ষা শেষ হবে। অতএব, অভিভাবক ও শুভানুধায়ীদের প্রতি বিশেষ দোয়ার আবেদন রইল।

Share

ইনশাআল্লাহ ২৭ / ২৮ মার্চ প্রকাশিত হবে দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষার ফলাফল

দীর্ঘ ৯ দিন বন্ধের পর গত ২২ মার্চ শনিবার জামিয়া খোলা হয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামি ২৭-২৮ মার্চ প্রকাশিত হবে জামিয়ার দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষার ফলাফল।

Share

আরবি সাহিত্যে শাইখুল হাদিস রহ. শীর্ষক সেমিনার

শাইখুল হাদীস রহ.। নবী প্রেমের কিংবদন্তি পুরুষ। আমরা অনেকই হয়তো তার এ পরিচয় জানি না। নবীপ্রেমিক কবিদের দীর্ঘ মিছিলে তিনিও সতীর্থ। কোকিল কিংবা বসন্তের গান নয়; বন্দনা করেছেন সবুজ গম্বুজের। রাসূল নিবেদিত কাসিদা-কাব্য এ যাবত অনেক রচিত হলেও শাইখুল হাদীস আল্লামা আজিজুল হকের কাসিদায় স্বতন্ত্র সুর আছে। সুর-ছন্দের তাল-লয়ে তিনি অপূর্ব। রাসূল নিবেদিত শাইখের অমর কাব্যমালা মুমিন হৃদয়ে ইশকের ঢেউ তোলে। নিবিড় পাঠে মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে ঘুরে আসা যায় নবীজির বাড়ি-ঘর। উদ্ধার করা যাক কয়েকটি আরবি কবিতার ভাষ্য।
১. মদিনার ঘরবাড়ি ও নির্দশনসমূহ আজও স্মরণ করায় নবীজিকে। যাকে আজ সাধারণ চোখ দেখে না।
২. অন্তরে আমার আনন্দ-ফূর্তি, মদিনার উপত্যকার বাতাস বইছে আমার অন্তরে।
৩. মদিনার বাতাস আমার অন্তর-আত্মা। এই বাতাসেই সে উড়ে পৌঁছবে বেহেশতের বাড়িতে।
৪. মদিনার ধূলাবালি আমার চোখের সুরমা। আমার মাথায় মদিনার মাটি বড় সৌভাগ্যের।
নবীদেশের বাতাস কতটা শীতল! সজীব শাইখের আত্মা তা অনুভব করেছিল। মদিনার বাতাসে জান্নাতে পৌঁছার আকুতিও অসাধারণ। তা ছাড়া নবীজির পায়ের ধূলা হবে প্রেমিক চোখের সুরমা। প্রেম প্রকাশের এই উপমাও কী স্বার্থক উপমা নয়?
নবীজির ভালোবাসা, মদিনার প্রেম, নবী বাড়ির ধূলাবালি, আলো-বাতাসের মায়া জালে অনেকেই আটকা পড়েছেন। প্রেমিকের জীবন বর্ণিল ও বৈচিত্র্যময় ঐশ্বর্যবান হয়ে ওঠেছে। বিস্মিত অভিভূত আর পুলকিত হয়েছেন আশেকেরা। বেদনায় কাতর হয়ে ইমাম বুসিরি লিখেছেন- কাসিদায়ে বুরদা। রওজার পার্শ্ববর্তী দেয়ালে আজও লেখা আছে অমর সেই পঙক্তি।
অর্থ : মাটিতে সমাহিতদের মধ্যে হে সর্বোত্তম ব্যক্তি! যার শরীরের খুশবুতে সুবাসিত হয়েছে টিলা ও প্রান্তর। যে কবরের আপনি অধিবাসী তার জন্য আমার প্রাণ উৎসর্গিত। মূলত এই কবরে রয়েছে পবিত্রতা ও নিষ্কলুষতা, দানশীলতা, দয়া ও মর্যাদা।
ভাব, আবেগ ও প্রেম নিবেদনে শাইখুল হাদীস রহ. ইমাম বুসিরির প্রতিবেশী। ইমাম আবু হানিফার ‘কাসিদায়ে নোমান’ ও শাইখের মদীনার টানে নবীপ্রেমের ভাষ্যে সমবায়ী কণ্ঠ। আল্লামা আজিজুল হক রহ. চেতনা ও বিশ্বাসে ইমাম বুখারির আত্মীয়। ইশকে এলাহি, দিদারে মাওলা আর নবীপ্রেমের আকুলতায় শাইখ, ইশকের আগুনে দগ্ধ রুমির ভিন্ন সংস্করণ। কাব্যের বিস্তর জলে সাবলীলতার প্রশ্নে তিনি শেখ সাদির উত্তরসাধক। কাসিদায়ে গাওসিয়ার কবি হযরত আবদুল কাদের জিলানি রহ., পান্দে নামার কবি ফরিদুদ্দীন আত্তার, আশেক কবি কাসেম নানূতবী, মাজযুব কবি হাজী এমদাদুল্লাহ মক্কী, ছন্দের কবি আবদুর রহমান জামির স্বগোত্রীয় শাইখুল হাদীস আল্লামা আজিজুল হক। দেওয়ানুল আজিজ তার অমর কাব্য রচনা।

আলহামদুলিল্লাহ! ইতোমধ্যেই ঢাকা শহরের অনেক মাদরাসায় তার রচিত কাব্যগ্রন্থ ‘দেওয়ানুল আজিজ’ নেসাবের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। আগামি ২০ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার রাহমানিয়া মিলনায়তনে বরেণ্যদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে উম্মোচিত হতে হচ্ছে সেই কাব্যগ্রন্থ। শাইখুল হাদীস আশরাফ আলী দা.বা., আল্লামা সুলতান যওক নদভী দা.বা. মাওলানা আব্দুল হাই পাহাড়পুরী দা.বা. অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন বলে সম্মতি জ্ঞাপন করেছেন। এছাড়াও বেফাকের মহাসবি মাওলানা আব্দুল জাব্বার, মাওলানা শহিদুল্রাহ ফজলুলবারী, মাওলানা উবাইদুর রহমান খান নদভী, মাওলানা সফিউল্লাহ ফুয়াদ, মাওলানা মুহিব্বুল্লাহ আল বাকী, মাওলানা আব্দুল মতিন বিন হুসাইন, মাওলানা আবুল ফাতাহ মুহাম্মাদ ইয়াহইয়া, মাওলানা নোমান আহমাদ, মাওলানা যাইনুল আবিদীন, মুহাম্মাদ কামরুজ্জামান শামিম, ডা. আ.ন.ম আব্দুল্লাহ জাহাং্গীর, ডা. মুহাম্মাদ হিজবুল্লাহ, মুহাম্মাদ শাহেদ হারুন প্রমুখ্ আলোচকবৃন্দ উপস্থিত থাকবেন।
উক্ত সেমিনারে আপনাকে বিশেষভাবে দাওয়াত দেওয়া হচ্ছে।

বি.দ্র. http://www.shaikhulhadith.com/ লিংকথেকে লাইভ প্রচারের ব্যবস্থা করা হবে ইনশাআল্লাহ।

Share

বিশ্ব ইজতেমা আমাদের জন্য আল্লাহর বড় নিয়ামত

মাওলানা মাহফুজুল হক

আগামি কাল থেকেই শুরু হতে যাচ্ছে বিশ্ব ইজতেমার প্রথম অংশ। এ অংশে ঢাকাসহ অনেক জেলার জমায়েত হবে টঙ্গীর ঐ তুরাগ নদীর তীরে। মুখে লা-ইলাহার জিকির আর অন্তরে দ্বীনের দাওয়াতের  অধম্য  স্প্রীহা নিয়ে  ইতোমধ্যে রওয়া হয়েছে তাবলীগের সাথীরা।

রাহমানিয়া  বরাবরই একাজে অংশগ্রহণ করে সকলের আগে। হযরত শাইখুল হাদিস রহ.  বলতেন- তাবলীগ  হলো জীবনের  মিশন। তাই  তিনি  আমরণ  দাওয়াতে তাবলীগকে  শুধু সমর্নই করতেন  না বরং  স্বীয়ং তিনি একাজে সময় দিয়েছেন এবং প্রতি বছর  শত কষ্ট সহ্য করে সেখানে উপস্থিত থাকতেন।   তারই সুযোগ্য উত্তরসূরি মাওলানা  মাহফুজুল দা.বা. তিনিও দাওয়াতের নিসবতে কয়েকবার চিল্লা ও তাবলীগে সময় দিয়েছেন এবং বতর্মানেও দিয়ে যাচ্ছেন।

তিনি আজ রাহমানিয়ার ছাত্রদের হেদায়াতি বয়ানে বলেছেন- বিশ্ব ইজতেমা আমাদের জন্য আল্লাহর বড় এক নেয়ামত। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে লক্ষ লক্ষ আল্লাহর নেক বান্দারা এ ইজতেমায় অংশগ্রহণ করে।  দাওয়াতি কাজকে বেগবান করার  জন্য আলম ব্যাপী ফিকির হয়।  কাজেই সেখানে উপস্থিত হতে পারা সৌভাগ্যের বিষয়। তোমরা সেখানে তাদের উসূল ও নিয়ম-কানূন মেনে চলবে। এবং সেখন থেকে দাওয়াতি মেজাজ ও বড়দের গুলো নোট করে সেগুলো আমলে আনার চেষ্টা করবে।

ওখান থেকে আমলের জজবা ও প্রেরণা তৈরি করবে। তোমাদের সকল কাজ  যেনো অন্যের অনুকরনীয় হয়- কিছুতে মাদরাসার বদনা হতে দিবে না। ইত্যাদি বিষয়ে গুরুত্বপূণ হেদায়াত প্রদান করেন।

আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে বিশ্ব ইজতেমায় অংশগ্রহণ ও এ মহ’ত কাজে অংশগ্রহণ করার তাউফিক দান করুন। আমীন।

Share

১৪৩৪-৩৫ হি: শিক্ষাবর্ষের রাহমানিয়া ছাত্র কাফেলার বার্ষিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠান আগামি ৩-৪ ফেব্রুয়ারি

জামিয়া রাহমানিয়া হযরত শাইখুল হাদীস আল্লামা আজিজুল হক রহ,. এর সারা জীবনের সাধনার ফসল। ইলম সাধনায় তিনি যেমন ছিলেন একজন স্বার্থক প্রবাদ পুরুষ তেমনি মানুষ গড়ার ক্ষেত্রে ছিলেন অনন্য  নিপুন কারিগর। সে জন্যই আমরা হযরতের কর্মময় জীবনের প্রতিটি বাকে বাকে খুজে পাই ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রগঠনের প্রেরণা। ছাত্রদের যোগ্য ও নেতৃত্ব দানের উপযোগি করে গড়ে তুলার জন্য তিনি গঠন করেন ‌’ছাত্র কাফেলা’ নামে একটি ছাত্র ফোরাম। বড়, মেধাবি ও যোগ্য ছাত্রদের নিয়ে গঠিত এ ‘কাফেলার’ মাধ্যমেই সারা বছর বিভিন্ন উপলক্ষে আয়োজন করে নানা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠান। সবশেষে বার্ষিক একটি অনুষ্ঠান করে- যেখানে সকল ছাত্রের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি রূপ ধারণ করে আন্তমানে। সেই ধারাবাহিকতায় আগামি ৩-৪ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বার্ষিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠান।

এবার প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানে নিম্নোক্ত বিষয়গুলো নির্ধারণ করা হয়েছে

কিতাব বিভাগে :   বকবববববববব

+ হিফজুল কুরআন * কেরাত * কুরআন হাদীসের আলোকে জীবন গড়ি * হিফজুল হাদিস * হামদ-নাত * সীরাত বিষয়ক সাধারণ জ্ঞান  * বাংলাদেশ ও বিশ্বকে কেমন জানি * সবাই মিলে মান বাচাও  * ছোটদের মেধা যাচাই * সুন্দর এক পৃথিবীর জন্য (সামাজিক বিভিন্ন সমস্যার সমাধানমূলক আলোচনা) * বিতর্ক ২ গ্রুপে * উপস্থিত রচনা প্রতিযোগিতা * বাংলা হস্তলিপি * আরবি প্রবন্ধ * বাংলা প্রবন্ধ ২ গ্রুপে।

হিফজ বিভাগের জন্য :

* হিফজুল কুরআন (৩০ পারা)

* হিফজুল কুরআন (১৫ পারা)

* হিফজুল কুরআন (৫ পারা)

* কেরাত (নাজেরা বিভাগের জন্য)

* কেরাত (মক্তব বিভাগের জন্য)

* হামদ-নাত (উভয় বিভাগের জন্য)

আমাদের এ অনুষ্ঠানমালা সুন্দর ও সুস্ঠুভাবে সফল হওয়ার জন্য সকলের নেক দোয়া কামনা করছি।

Share

২৬-২৭ জানুয়ারি জামিয়ার দ্বিতীয় মাসিক পরীক্ষা শুরু

আগামী ২৬, ২৭ জানুয়ারি, রবি-সোম থেকে ইনশাআল্লাহ আমাদের দ্বিতীয় মাসিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এতে এবতেদায়ী আউয়াল থেকে উস্তানী সালেস পর্যন্ত সকল জামাতের ছাত্ররা অংশগ্রহণ করবে। পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের ও মাদরাসার জন্য জামিয়ার সকল শুভাকাঙ্খীদের নিকট বিশেষ দোয়ার নিবেদন করছি।

Share

বিশ্ব ইজতেমা : হেদায়েতের উম্মুক্ত পাঠশালা

আজ থেকে প্রায় ৬ দশক আগে ১৯১০ সালে ভারতরে এক জনবরিল অঞ্চল মেওয়া  থেকে হাতে গোনা ক’জন মানুষ নিয়ে হযরত মাওলানা ইলিয়াছ কান্ধলভী রহ. তাবলীগের দাওয়াতের মেহনত শুরু করেন তাবলীগের এ মেহনত এখন সারাবিশ্বে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়েছে। হজরত ইলিয়াছ  রহ. ১৩৫১ হজিরি সালে হজ্ব থেকে ফিরে এসে  সাধারণ মুসলমানদের দুনিয়া ও সংসারের ঝামেলা থেকে মুক্ত করে ছোট ছোট দলবন্ধ করে মসজিদের ধর্মীয় পরিবেশে অল্প সময়ের জন্য দ্বীনি শিক্ষা দিতে থাকেন। এরই মাঝে একবার তিনি মহানবী সা. কে স্বপ্নে দেখেন এবং তিনি তাকে দাওয়াত ও তাবলীগের কাজরে জন্য নির্দেশ দেন। মহানবীর সা. নিদের্শ মোতাবেক তিনি দাওয়াত ও তাবলীগের কাজের সূচনা করেন। এরপর এ কাজকে আরও বেগবান ও গতিশীল করার জন্য এ উপমহাদেশের র্সবস্তরের আলমে-ওলামা, পীর-মাশায়েখ ও বুর্জগদের কাছে দোয়া র্প্রাথনা করা হয় এবং দিল্লির কাছে  মেওয়াতে র্সবস্তরের মুসলমানদের জন্য ইজতেমা বা সম্মেলনের ব্যবস্থা করা হয়।

এরপরই ক্রমেই তাবলীগের কার্যক্রম বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তানের গণ্ডি ছাড়িয়ে পেৌছে যায় বিশ্বের সর্বত্র।  হযরত মাওলানা আবদুল আজিজ রহ. এর মাধ্যমে ১৯৪৪ সালে বাংলাদেশে তাবলীগ শুরু হয়। তারপর ১৯৪৬ সালে বিশ্ব ইজতেমা র্সবপ্রথম অনুষ্ঠিত হয় বাংলাদেশের তাবলীগের মারকাজ কাকরাইল মসজিদে। পরে ১৯৪৮ সালে চট্টগ্রাম হাজী ক্যাম্পে ইজতেমা শুরু হয়। এরপর ১৯৫৮ সালে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে। তারপর ১৯৬৫ সালে টঙ্গীর পাগারে এবং র্সবশষে ১৯৬৬ সালে টঙ্গীর ভবের পাড়া তুরাগ তীরে অনুষ্ঠতি হয়। বিশ্ব ইজতেমা সেই থেকে এ পর্যন্ত সেখানেই ১৬০ একর জায়গায় তাবলীগের সর্ববৃহত ইজতেমা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।

উল্লখ্যে, তাবলীগ জামায়তের সদর দফতর দিল্লিতে থাকা সত্ত্বেও এর বার্ষিক সমাবেশের জন্য বাংলাদেশকে বেচে নেয়া হয়েছে।তাবলীগ জামায়াতের মুরুব্বিদের বৈঠকে ইজতেমার স্থান নির্ধারনের জন্য লটারি হয়েছিল, সেখানে বাংলাদেশের নাম ওঠে আসে।  সেই থেকে বাংলাদেশে বিশ্ব ইজতেমা হয়ে আসছে।  ভারতের মুম্বাই ও ভূপালে এবং হালে পাকস্তিানের রায়বন্ডে বিশ্ব ইজতেমা অনুষ্ঠিত হলেও জনসমাগমের বিচারে টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমাই বড় এবং বিশ্ব দরবারে এটাই স্বীকৃত প্রধান ইজতেমা।

তাবলীগ জামায়াত সম্পর্কে কিছু প্রশ্ন ও তার উত্তর :

১.প্রশ্নঃ পৃথবির কোন দেশে বিশ্ব ইজতেমা অনুষ্ঠিত হয়?
উত্তরঃ- বাংলাদেশে বিশ্ব ইজতেমা অনুষ্ঠতি হয়।

২.প্রশ্নঃ বিশ্ব ইজতেমার মূল উদ্দশ্যে কি?
উত্তরঃ- বিশ্ব ইজতেমার মূল উদ্দশ্যি হলো র্ধমীয় কাজরে জন্য মুসলমানদেরকে একত্রিত করা।

৩.প্রশ্নঃ  ইজতেমা শব্দটি কোন ভাষা?

উত্তরঃ-ইজতেমা শব্দটি আরবী ভাষা।

৪.প্রশ্নঃ ইজতেমা বলতে কি বুঝায়?
উত্তরঃ-  ইজতেমা বলতে র্ধমীয় কাজে একত্রিত বা সমাবেত হওয়াকে বুঝায়।

৫.প্রশ্নঃ বিশ্ব ইজতেমার দায়ত্বি ও র্কতব্য কি ?
উত্তরঃ- বিশ্বের আলেম-উলামাদের কাছ থেকে কুরআন-হাদিসের  বয়ান শুনা ও তা বিশ্ব দরবারে পেৌছে  দেয়া।

৬.প্রশ্নঃ তাবলীগ শব্দের অর্থ কী?

উত্তরঃ- তাবলীগ শব্দের অর্থ হলো প্রচার বা প্রসার।

৭.প্রশ্নঃ তাবলীগ বলতে কি বুঝায় ?
উত্তরঃ-তাবলীগ বলতে ইসলাম ধর্মের কর্মকান্ডের প্রচার ও প্রসারকেই বুঝায়।

৮.প্রশ্নঃ চিল্লা বলতে কি বুঝায় ?
উত্তরঃ- চিল্লা বলতে ১৪/১৫ জন মুবাল্লিগ ঈমান ও আমলের কাজে ৪০ দিন যে কোনো মসজিদে ইবাদতে মগ্ন থাকাকে বুঝায়।

৯.প্রশ্নঃ একটি চিল্লায় কত জন মুবাল্লিগ অংশ নেই?
উত্তরঃ- একটি চিল্লায় ১৪ থেকে ১৫ জন এর মত মুবাল্লিগ অংশ নেই।

১০.প্রশ্নঃ এক চিল্লা কত দিনে হয়?
উত্তরঃ-এক চিল্লা ৪০ দিনে হয়।

১২.প্রশ্নঃ চিল্লাদানকারীরা কি কাজে নিয়োজিত থাকেন?
উত্তরঃ- চিল্লাদানকারীরা বিশ্ববাসীর নিকট তাওহীদ, রিসালাত, আখেরাতসহ ঈমান আমলের দাওয়াতের কাজে নিয়োজিত থাকেন।

১৩.প্রশ্নঃ আখিরি মোনাজাতের উদ্দেশ্য কি?
উত্তরঃ- আখিরি মোনাজাতের উদ্দেশ্য হলো নিজ, পরিবার, দেশ, জাতি ও বিশ্ব শান্তির জন্য বিশেষ দোয়া।

১৪.প্রশ্নঃ তাবলীগ জামাতরে ১ম উদ্যোক্তা মুরব্বী কে ?
উত্তরঃ-মাওঃ মুহাম্মদ ইলিয়াছ  কান্দলবী রাহঃ

১৫.প্রশ্নঃ মাওঃ মুহাম্মদ ইলিয়াছ কান্দলবী  রাহঃ-এর জন্ম স্থান কোথায়?
উত্তরঃ-মাওঃ মুহাম্মদ ইলিয়াস কান্দলবী  রাহঃ এর জন্ম স্থান ভারতের দিল্লিতে।

১৬.প্রশ্নঃ তাবলীগ জামাতের ১ম সূচনা হয় কোন্ দেশে?
উত্তরঃ-তাবলীগ জামাতের প্রথম সূচনা হয় ভারতের দিল্লিতে।

১৭.প্রশ্নঃ মাওঃ মুহাম্মদ ইলিয়াস কান্দলবী রাহঃ কত সাল হতে এই মহতি কাজের দাওয়াতি কাজ শুরু করেন।
উত্তরঃ-মাওঃ মুহাম্মদ ইলিয়াস কান্দলবী রাহঃ হজিরী ১৩৪৫ সন হতে এই মহতি কাজরে দাওয়াত শুরু করেন।

১৮.প্রশ্নঃ মাওঃ মুহাম্মদ ইলিয়াস কান্দলবী রাহঃ কত সালে ইন্তেকাল করেন?
উত্তরঃ-মাওঃ মুহাম্মদ ইলিয়াস কান্দলবী রাহঃ ১৯৪৪ ইংরেজি সনে ইন্তেকাল করেন।

১৯.প্রশ্নঃ বাংলাদেশে কত সাল হতে বিশ্ব ইজতেমা অনুষ্ঠিত হচ্ছে ?
উত্তরঃ-বাংলাদশেে ১৯৪৬ইং সন হতে বশ্বি ইজতমো অনুষ্ঠতি হচ্ছে ।

২০.প্রশ্নঃ র্সব প্রথম বাংলাদশেরে কোথায় বশ্বি ইজতমো অনুষ্ঠতি হয়?
উত্তরঃ-র্সব প্রথম ঢাকার কাকরাইলস্থ প্রাচীন তাবলীগ মসজিদে বিশ্ব ইজতেমা অনুষ্ঠিত হয় ১৯৪৬ সালে।

২১.প্রশ্নঃ ১৯৬৬ সনে বিশ্ব ইজতেমায় কতজন মুসল্লী অংশগ্রহণ করেছিল?

উত্তরঃ-১৯৬৬ সনে বিশ্ব ইজতেমায় মাত্র ৪৫০০ জন মুসল্লি অংশগ্রহণ করেছিল।

২২.প্রশ্নঃ ১৯৬৬ সালে মুসল্লীদের পানির জন্য কতটি হস্ত চালতি নলকূপ বসানো হয়েছিল ?
উত্তরঃ-১৯৬৬ সালে মুসল্লীদের পানরি জন্যমাত্র ১০টি হস্ত চালতি নলকূপ বসানো হয়েছিল।

২৩.প্রশ্নঃ বর্হিবিশ্বে কতটি দেশে তাবলীগ জামাতের মেহনত চলছে?
উত্তরঃ-প্রায় ১১২টি দেশে।

২৪.প্রশ্নঃ বাংলাদেশে তাবলীগ জামাতের মারকাজ কোথায়?
উত্তরঃ-বাংলাদেশের তাবলীগ জামাতের মারকাজ   ঢাকা শহরের কাকরাইলস্থ মসজিদে।

২৫.প্রশ্নঃ বিশ্ব ইজতেমায় মুসলীম মুসল্লী ছাড়া অন্য কোন ধর্মের লোকেরা অংশগ্রহণ করে?
উত্তরঃ-হ্যাঁ, প্রায় ২০০ শত সনাতন ধর্মের লোকেরা অংশগ্রহণ করে। (জরপি অনুযায়ী)।

২৬.প্রশ্নঃ তাবলীগ জামাতে কি কি পরভিাষা ব্যবহার করা হয়?
উত্তরঃ-তাসকীল, জুড়নেওয়ালী জামাত, গাশ্ত, চিল্লা, সাল, তালীম, বয়ান, এলান, আমীর, মেহনত, জিম্মাদার, জামাত, সাথী, মামুর, মোতাকাল্লিম, হযরতজী, উসুলি ইত্যাদি।

২৭.প্রশ্নঃ বিশ্ব ইজতেমায় পত্রে কাওকে দাওয়াত  দেওয়া হয় কি না?

উত্তরঃ-মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মাননীয় সরকার প্রধান, রাষ্ট্রপ্রধান, কাউকেই দাওয়াত দেয়া হয় না, র্ধমপ্রাণ মুসলমানরা আল্লাহর দাওয়াতে সকলে নিজ নিজ দায়ত্বি অংশগ্রহণ করে থাকেন।

২৮.প্রশ্নঃ বিশ্ব ইজতেমায় মুনাজারে নির্দিষ্ট সময় কখন?
উত্তরঃ-সকাল ১০টা হতে জোহরের আগ র্পযন্ত।

২৯ .প্রশ্নঃবিশ্ব ইজতেমায় আগত অধকি সংখ্যক বিদেশি মেহমান কোনে দেশের?
উত্তরঃ-পাকিস্তানের।

৩০.প্রশ্নঃ বিশ্ব ইজতেমায় অর্থযোগনদাতা করা?
উত্তরঃ-নাম প্রকাশে অনচ্ছিুক দেশি-বিদেশি র্ধমপ্রাণ বিত্তশালীরা।

৪১.প্রশ্নঃ বশ্বি ইজতমো আমাদরেকে কি শিক্ষা দেয়?
উত্তরঃ-বাদশা, আমির, ফকির, সকলেই সমান। সকলেই আল্লাহর বান্দা।

সংকলনে : আনোয়ারুল ইসলাম

Share

জামিয়ার সংবাদ

আসন্ন ঈদুল আযহা উপলক্ষে আগামী 14/10/2013 রোজ সোমবার  হতে 27/10/2013 পর্যন্ত নিয়মিত ক্লাস বন্ধ থাকবে। 28/10/2013 তারিখ হতে নিয়মতান্ত্রিক সবক শুরু হবে ইনশাআল্লাহ।

Share

ভর্তি সংক্রান্ত জরুরী জ্ঞাতব্য

শিক্ষাবর্ষ ১৪৩৪/৩৫ হিজরী

জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়া

সাত মসজিদ, মুহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭

ভর্তি সংক্রান্ত জরুরী জ্ঞাতব্য

·       শাওয়াল একদিনের মধ্যে কিতাব বিভাগের পুরাতন ছাত্রদের ভর্তি সম্পন্ন করতে হবে

·       কিতাব বিভাগের নতুন ছাত্রদের ভর্তি কার্যক্রম কোটা পূরণ সাপেক্ষে শাওয়াল থেকে ১১ ই শাওয়াল পর্যন্ত চলবে তবে ৮ শাওয়াল ভর্তি ফরম সংগ্রহ করার সুযোগ থাকবে।

·       নতুন ছাত্রদের দাখেলা পরীক্ষা প্রতিদিন সকাল ৭.৩০ থেকে ১.০০ পর্যন্ত মৌখিকভাবে অনুষ্ঠিত হবে। বিকাল ৩.৩০ মিনিটে উত্তীর্ণদের তালিকা প্রকাশ করা হবে। অত:পর ভর্তি কাজ সম্পন্ন করবে।

·       নতুন ছাত্রদের ভর্তি ফরম নেয়ার সময় দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি জমা দিতে হবে।

·       হিফজ ও মক্তব বিভাগের পুরাতন ছাত্রদের ভর্তি কার্যক্রম ২০ ও ২১ রমযানের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে।

·       হিফজ ও মক্তবের নতুন ছাত্রদের ভর্তি কার্যক্রম ৮ শাওয়াল থেকে শুরু হয়ে কোটা পূরণ হওয়া পর্যন্ত চলবে।

·       ইফতা বিভাগের নতুন ছাত্রদের ভর্তি ৭ ও ৮ শাওয়ালের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে।

 

জামিয়া কর্তৃপক্ষ

 

 

Share